Breaking News
Home / রংপুর বিভাগ / রংপুর / আপনাদের সাড়া ও সহযোগীতা চাই।।

আপনাদের সাড়া ও সহযোগীতা চাই।।

আপনাদের সাড়া ও সহযোগীতা চাই।।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশার আকুতি।।

১৯৬৭ সালে পুলিশে যোগদান করেন। টগবগে তরুন চালাতে পারেন চায়না এসএমজি এলএমজি। ১৯৭১ খুলনা পুলিশ লাইনে রিজার্ভ ফোর্স।২৫ শে মার্চ বেতার বার্তা পাওয়ার পর বগুড়ার হাবিবুর, কুড়িগ্রামের জব্বার বরিশালের ৪/৫ জন মোট ১১ জন মিলে অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যান।
কয়েকদিন পর নৌকা যোগে কামারজানি পৌছান।এখানে শররত আলী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে পরদিন কামারজানি নৌকা ঘাটে এসে একটি পাট বোঝাই নৌকায় চড়ে মানকারচর পৌছান।এখান থেকে সিরাজুল ইসলাম বাদশা কাকরির পাড়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে যান।এখানে মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান রাজার দেখা পান।তার মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার সুযোগ পান।উচ্চতর প্রশিক্ষন নেয়ার জন্য আসামের তুরাতে ৪০ দিন এসএমজি এলএমজি গ্রেনেড টুয়ার্স মর্টার প্রশিক্ষন নিয়ে ১১ নং সেক্টরের কোম্পানী কমান্ডার সাইফুল ইসলাম সাজা ও ফজলুর রহমান রাজার নেতৃত্বে যুদ্ধ করেন।
তার প্রথম যুদ্ধ সাদুল্যাপুর থানা আক্রমন।
এরপর গাইবান্ধা কামারজানীর যুদ্ধে শত্রু পক্ষের ব্রাশ ফায়ারের গুলি এসে পিঠে লাগে
পরে অবস্থা অবনতি হলে হেলিকাপ্টার যোগে ভারতে চিকিৎসা চলে দেশ মুক্তির এক মাস পর জানুয়ারীতে দেশে আসেন এই যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশা। বুকের ডান পাশে একটি গুলি এখনো শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছেন।

#বর্তমানে নিঃসন্তান এই যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২য় তলায় ১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে।।আমি সকল প্রিন্ট ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি।। জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানের পাশে দাড়ান।
###

About fcnnews

Check Also

রিক্সাচালক স্কুল ছাত্র কবিরকে বিভাগীয় প্রশাসন পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

Post Views: 10

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *