Breaking News
Home / রংপুর বিভাগ / ক্রিকেটার, অভিনেতা, অভিনেত্রী সবাই এদের কমেন্টের আক্রমনে রীতিমত আতঙ্কিত

ক্রিকেটার, অভিনেতা, অভিনেত্রী সবাই এদের কমেন্টের আক্রমনে রীতিমত আতঙ্কিত

ক্রিকেটার, অভিনেতা, অভিনেত্রী সবাই এদের কমেন্টের আক্রমনে রীতিমত আতঙ্কিত

প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ খান। তাঁকে ইদানীং তাঁর তুলনায় দুধের বাচ্চারা শিখাচ্ছে সমাবর্তনে কি বলতে হবে কি বলতে হবে না। অবশ্য পাকিস্তানিদের জন্মা, জারজ জামাতিরা ফেসবুকে ইতিমধ্যেই সে বিপ্লব করে ফেলেছে। ক্রিকেটার, অভিনেতা, অভিনেত্রী সবাই এদের কমেন্টের আক্রমনে রীতিমত আতঙ্কিত। আগে প্রেসিডেন্ট হামিদ সাহেবের যোগ্যতায় পৌছান,এরপর তাকে নিয়া কথা বলার সাহস করিয়েন। পাকিস্তানের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য তিনি। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৬ বছর বয়সে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বিপুল ভোটে জয়ী হোন। আর আপনি ২৬ বছর বয়সে চাকরির জন্য এমপির চামচাদের দেনদরবার করতেছেন। কিশোরগঞ্জ এরিয়ায় তার জনপ্রিয়তা একটু দেখে আসবেন। আট বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড উনার। উনি কেবল হাসি মজাই করে, দেশের দূর্যোগে কিছু বলে না? ১৯৬৯ এর গন অভ্যুত্থানে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭১ এও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। ১৭ই মার্চ স্বাধীনতা ঘোষনার পূর্বেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। উনার ব্যাক্তিগত প্রচেস্টায় অনেকগুলি স্কুল কলেজ চলতেছে। ছিলেন কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কমিটির সদস্য। জাতীয় সংসদের স্পিকার থাকাকালীন প্রজ্ঞার সাথে নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেছেন,তাই উনার প্রেসিডেন্ট হওয়ার সময় কোন রাজনৈতিক দল অভিযোগ করেনি। উনি যেই বয়সে লাখো মানুষের সামনে ভাষন দেওয়ার,তাদের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছিলো তাঁকে আপনারা এই বুড়ো বয়সে শিখাচ্ছেন ভাষন কিভাবে দিতে হবে। আপনি নিজে দিতে জানেন তো?
.
উনি একবার বললেন,” মেট্রিকে পাইছিলাম থার্ড ডিভিশন। ঢাকা ভার্সিটির ফর্ম ই কিনতে পারি নাই। আর ভাগ্যের কি লীলাখেলা আজকে আমি ঢাকা ভার্সিটির চ্যান্সেলর “। তোমার গোবরভরা ব্রেনে তুমি হয়ত খালি একটা কৌতুক ই দেখতে পাইতেছো। কিন্তু উনি যে নিজেকে পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়েও ক্যারিয়ার গড়ার একটা দৃষ্টান্ত হিসেবে সকলের সামনে উপস্থাপন করলেন সেইটা মাথার উপরে দিয়া গেলো। এই কাজের জন্য তো মোটিভেশনাল ধান্দাবাজদের বিপুল অংকের টাকা দিয়া ভাড়া কইরা নিয়া যাইতে হয়।
.
উনি প্রধান অতিথি,প্রধান বক্তা না। উনার বক্তব্য কি হবে তা পুরোপুরি উনার ব্যাপার। আঞ্চলিক টোনে কথা বলা কোনভাবেই দোষের মধ্যে পড়ে না। উনি লিখিত বক্তব্য দিতে পছন্দ করেন না,খোলা মনের মানুষ যা তিনি মন থেকে বলতে চান তাইই বলেন। সমাবর্তনের তরুন রা দেশ গড়ার কারিগর হবে,তাদের প্রেরণা দেওয়া দরকার তা সত্যি। এবং একজন প্রেসিডেন্ট হিসাবে উনি তা করেছেন ও। কিন্তু করেছেন তার নিজস্ব ভাষায়। গুরুগম্ভীর না থেকে কৌতুকের মাধ্যমে পরিবেশ হালকা করেছেন। ইউরোপ আমেরিকার গ্রেট লিডার রা তাদের স্পিচে কত “ডার্টি জোক” দেন কোন আইডিয়া আছে? উনি সেখানে ভোট চাইতে যান নাই। তার বক্তব্যতে সেখানে উপস্থিত কেউই কিছু মনে করেন নাই। কারন তারা পুরো বক্তব্য শুনেছে। দুনিয়া উল্টায়া ফেলতেছি আমরা ফেসবুকে চুল ফালানো পাব্লিক,যারা ১-২ মিনিটের কেবল জোকের অংশটার কাটপিস ভিডিও দেখেছি।
.
আর হ্যা,রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এই করে,তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এই করে আমাদের প্রেসিডেন্ট করে না কেন? এই দোষ দিলে আমাদের সরকার ব্যবস্থাকে দিন যাতে প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ভারসাম্য আসে। একজন রাস্ট্রপতি হিসেবে তিনি রাজনৈতিক ক্যাচালে বক্তব্য রাখতে পারেন না।

তথ্য সূত্র :-
Munir Hossain Mun ID থেকে নেয়া

About fcnnews

Check Also

রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন স্টাফ রিপোর্টার \ একাদশ জাতীয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *